মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

উপজেলার প্রাকৃতিক সম্পদ

খনিজ সম্পদ : ১৯৭০ সালে স্থানীয় জনগণ উপজেলার মঠেরখাল গ্রামে মাটি খুড়ে গন্ধক জাতীয় পদার্থের সন্ধান পেলেও এ উপজেলায় কোন খনিজ সম্পদের সন্ধান আজও পাওয়া যায়নি।

 

বনজ সম্পদ : পাথরঘাটা উপজেলা মূলত সুন্দরবন পরগনার অংশ ছিল। মানুষ আবাদ করার জন্য বন পরিস্কার করে জনবসতি শুরু করে। মানুষের প্রয়োজনে আবার বনসৃষ্টি করা হয়। হরিণঘাটা বন ১৯৬৬ সালে রিজার্ভ বন হিসেবে সৃজন করে বন বিভাগ। ১৯৬৮ সালে হরিণ ছাড়া হয় বন বিভাগের উদ্যোগে। বর্তমানে ঐ বনে হরিণ, বণ্যশুকর, বানর, বন মোরগ, দাসবাঘ, শিয়াল, বেজী, গুইসাপ, বিভিন্ন প্রজাতির অতিথি পাখি বাস করে।

 

মৎস্য সম্পদ : মৎস্য পাথরঘাটা উপজেলার অন্যতম প্রাকৃতিক সম্পদ। এ উপজেলার অধিকাংশ মানুষের জীবিকা মৎস্য সম্পদের উপর নির্ভরশীল। পাথরঘাটা উপজেলায় মিঠা পানির মাছের চেয়ে সাগর থেকে আহরিত মৎস্য সম্পদের পরিমাণ তূলনামূলক বেশী। সরকারি মালিকানাধীন পুকুর ৭৭ টি। যার আয়তন ১৮.৫৪ হেক্টর। সরকারি জলমহাল ১৯ টি। যার আয়তন ৭৮৭৬.৮৩ একর বা ৩১৮৯ হেক্টর। পাথরঘাটা উপজেলায় সামুদ্রিক মাছ আহরণ, সঙরক্ষণ ও বাজারজাত করণের কাজে জেলেদের সহায়তার উদ্দেশ্যে ১৯৮১ সালের ১৯ মার্চ বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি) একটি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র স্থাপন করে। এ কেন্দ্রের মাধ্যমে হাজার হাজার টন ইলিশ ও অন্যান্য মাছ বিদেশে রপ্তানী ও দেশের অভ্যন্তরে চালান হয়ে থাকে। উপকূলবর্তী উপজেলা বিধায় এখানে সাগরের মাছ বেশী পাওয়া যায়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ইলিশ, পাংগাস, গুলিশা-টেংরা, কোরাল, ফাইস্যা, বাটা, কাওন, লইট্যা, বৈরাগী, ফ্যাসা, চিংড়ি, চাকা চিংড়ি, পোয়া, মরমা, তপসী, তুলারডাটি, তারিয়াল, খটকা, রূপচাদা, মোচন, গাগড়া, দরগি, চেউয়া। চন্দনা, চটা, বাইল্যা মাছ এখন বিরল প্রায়। মিঠা পানির মাছের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হরৈা- চাপিলা, চিতল, তিতপুটি, সরপুটি, বাইলা, তেলাপিয়া, শোল, শিঙ, বোয়াল, কোরাল, কাতল, কালোবাউশ, বাশপাতা, গজার, বাইন, গুলিশাটেংরা, আইর, মৃগেল, ফলি, কার্প ও তেলাপিয়া।

 

পশু সম্পদ : গোচারণ ভূমি ক্রমশ হ্রাস পাওয়ায় উপজেলার গবাদি পশুর সংখ্যা পূর্বের তুলনায় কমেছে। ২০০৯ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী উপজেলার মহিষ-২৭০৮, গরু-৪৭১০৩, ছাগল-২৪২৪৫, ভেড়া-৯০ সংখ্যক গবাদি পশু রয়েছে। এছাড়া হাস-৪৮২১০ এবং মুরগী-৩২০১৫০ সংখ্যক রয়েছে।